ঈদগাঁও বাজারে ফের ক্রেতা সেজে ম্যাজিষ্ট্রেটের অভিযান

সায়মন সরওয়ার কায়েম, কক্সবাজার প্রতিনিধি:
প্রশাসনের নির্দেশকে বৃদ্ধ আঙ্গুলী দেখিয়ে দোকান পাট খোলা রেখে জনসমাগম করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে আসার অপরাধে ক্রেতা সেজে ফের ঈদগাঁও বাজারে অভিযান চালিয়েছে কক্সবাজার সদরের সহকারী ম্যাজিষ্ট্রেট (ভূমি কর্মকর্তা) মুঃ শাহরিয়ার মুক্তার। ২৩ মে দুপুর ২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত টানা তিন ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শপিং মল খোলা রাখার অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে হাতে নাতে আটক করেন ম্যাজিষ্ট্রেট। প্রশাসনের অনুপস্থিতিতে দোকান খোলা রেখে বানিজ্য করে আসায় ৩ টি মার্কেটে লাল পতাকা দিয়ে লক ডাউন করা হয়, মার্কেট গুলো হলো বঙ্গ মার্কেট, সৌদিয়া মার্কেট ও কবিরাজ সিটি। অন্যদিকে সীলগালা করে দেওয়া শপিং মল ও বস্ত্র বিতান গুলো হলো সিদ্দিক এন্ড ব্রাদার্স, সানা ফ্যাশন, ভাই ভাই ক্লথ স্টোর, আলম ফ্যাশন, বিনিময় ডিপার্টমেন্ট স্টোর, তুষার ডিপার্টমেন্ট, বিছমিল্লাহ স্টোর, সূবর্ণ ডিপার্টমেন্ট, হাজী ডিপার্টমেন্ট স্টোর, কায়সার স্টোর, ফাহিম ডিপার্টমেন্ট স্টোর, রাকিব স্টোর, পরশমনি বিপনী বিতান, ফাইসেল গার্মেন্টস, আপন গ্যালারী, ফেমাস কালেকশন, চমক ডিপার্টমেন্ট স্টোর, সিরাজ ক্লথ স্টোর ও অদির বাবুর কসমেটিকস দোকান। এ সময় আটককৃত দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান ও ৫ ক্রেতাকে ২৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুঃ শাহরিয়ার মুক্তার বিবিএনকে জানান, মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে প্রশাসন কক্সবাজার জেলায় সকল শপিং মল বন্ধ ঘোষণা করেছে।
তারপরও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে জনসমাগম করে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে আসছিল এদিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাজারে ক্রেতা সেজে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়া সকল দোকান গুলো সীলগালা করে দেওয়া হয়। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযান মোবাইল কোর্টকে সহযোগিতা করেন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের এসআই জালাল আহমদ ভুঁইয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ।

Leave a Comment