করোনার এই মহামারীতেও টাঙ্গুয়ার হাওরে কৃষকের মুখে হাঁসি

শাকেল হাসান, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ন জলাভূমি,মেঘালয় পাহাড়ের নান্দনিক সৌন্দর্যের অপরূপ ছাউনিতে গড়ে উঠা প্রকৃতির কন্যা টাঙ্গুয়ার হাওর,
টাঙ্গুয়ার হাওরে গইন্যাকুড়ি,সন্যাসী, এরাইল্লাকুনা,দশাইল পইল্লার বিলসহ কয়েকটি ছোট খাটো হাওরে ধানকাটা শেষ। কৃষক কৃষানীদের মাঝে চলছে বর্ষায় গবাদি পশুর খর এবং ধান গোলায় তুলার সর্বশেষ প্রস্তুতি।ধানের বাম্পার ফলন উৎপন্ন হওয়ায় প্রকৃতি যেন,এবছর কৃষকদের ঘরে ঘরে আনন্দের বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে।জানা যায় যে,প্রতিবছর এই ছোট খাটো হাওরের জমি গুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ অকাল বন্যায় ডুবে যায়।কৃষকরা অল্পকিছু জমি কাটতে পারে,হঠাৎ করে অকাল বন্যা এসে জমিগুলো ডুবে যায়,কৃষকদের মুখে কষ্টের ছায়া পরে।প্রকৃতি কন্যা টাঙ্গুয়ার হাওর পারের পাশবর্তী একটি সুন্দর গ্রাম মন্দিয়াতা,মন্দিয়াতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃসানজু মিয়া বলেন, প্রতিবছর এই গ্রামের ক্ষুদ্র কৃষকরা অনেক কষ্ট করে জমিগুলো চাষ করেন, বৈশাখ এলেই দেখাযায়
কৃষকদের বেতর যেন একটা আতন্ক সৃষ্টি হয়!
কখন জানি অকাল বন্যা এসে সকল জমি তলিয়ে দেয়,কিন্তু এবছর এর পুরোটাই উল্টো সবাই সফলভাবে ধানকেটে গোলায় তুলেছেন,বর্ষায় গবাদি পশুর জন্য খর শুকাইতেছেন। এই মহামারি করোনার পরিস্থিতেও কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে।
হাওরপারের মন্দিয়াতা গ্রামের এক ক্ষুদ্র কৃষক মোঃকুতুব আলী বলেন,আমরা প্রতিবছর অনেক কষ্ট করে জমিতে চাষ করি,কিন্তু কোন বছরই পরিপূর্ন ভাবে আমরা আমাদের গোলায় ধান তুলতে পারি না।
এবছর আমরা অনেক খুশি,আমাদের সবার ঘরে এখন গোলাভর্তী ধান আছ,গবাদি পশুর সারা বর্ষার খর আছে।সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ পুষ্ট হাওর অধ্যাশিত জনপদটি এখনো মরনব্যাধী করোনা ভাইরাসের ছোবল থেকে মুক্ত।

Leave a Comment