করোনা ছুটিতে ১৮ অফিস খোলা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলকারখানা চালুর সুযোগ

ডেস্ক নিউজঃ
সাধারণ ছুটি চলাকালীন ঢাকাসহ সকল বিভাগ এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ ১৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে দপ্তরসমূহ সীমিত পরিসরে খোলা রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিসহ সব কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষাসেবা বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহ সীমিত পরিসরে খোলা রাখার কথা বলা হয়।

অন্য সব সরকারি অফিসের কর্মকর্তাদের এই সময়ে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপকতা বৃদ্ধির কারণে সাধারণ ছুটি আরো ১০ দিন বৃদ্ধি করেছে সরকার। তবে এই ছুটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন দপ্তরসহ ১৮টি মন্ত্রণালয়-বিভাগের দপ্তরসমূহ সীমিত পরিসরে খোলা রাখার নির্দেশরা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধি করে ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস রোগ (কোভিড-১৯) মোকাবিলা এবং এর ব্যাপকতা বিস্তার রোধকল্পে অধিকতর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সরকার ২৬ এপ্রিল হতে ৩০ এপ্রিল এবং ৩-৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। ওই ছুটির সঙ্গে আগামী ১ ও ২ মে মাসের সাপ্তাহিক ছুটিও সংযুক্ত থাকবে।

সাধারণ ছুটি চলাকালীন ঢাকাসহ সকল বিভাগ এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ ১৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে দপ্তরসমূহ সীমিত পরিসরে খোলা রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষাসেবা বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহ সীমিত পরিসরে খোলা রাখার কথা বলা হয়।

অন্য সব সরকারি অফিসের কর্মকর্তাদের এই সময়ে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি এর আগে আরো ৭ দিন সাধারণ ছুটি বৃদ্ধির প্রস্তাব করে সরকার প্রধানের কাছে পাঠিয়েছিল।

গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার পর গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল এবং পরে ৫-৯ এপ্রিল, পরে ১৪ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছিল।

Leave a Comment