জ্বী শরীর আমার সিদ্ধান্ত আমার “ইটস হার চয়েস”

জ্বী শরীর আমার সিদ্ধান্ত আমার, মরে গেলে কেস করার দায়িত্ব বাপ-মার, ন্যায় বিচার পাইয়ে দেবার দায়ভার আমজনতার।

“ইটস হার চয়েস” – জনৈক নারীবাদ।

আজ আমরা চিৎকার করতেছি গলা ফাটাইতেছি, বিচার চাই, বিচার চাই বলে। অথচ কাল মরে যাবার এক মিনিট আগে পর্যন্ত ব্যবসা টা তার চয়েস ছিল। আজ বেঁচে থাকলে সে বলতো হু দ্যা ফাঁক ইজ আমজনতা আমার যেটা ইচ্ছা সেটা করবো নট ইউর বিজনেস।

ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়তেন অথচ থাকতেন লাখ টাকা ভাড়া দিয়ে একটা ফ্ল্যাটে একা কুকর্ম করতে।

লোভ এমন একটা জিনিস যার শেষ পরিনিতি মৃত্যু, এটাই তার জলন্ত প্রমাণ।

সমাজে যারা প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা করে তারা পতিতা কিন্ত আলিসান দালানের এসি রুমে যারা গোপনে দেহ বিলিয়ে দেয় তাদের কে কি বলে আমার জানা নেই কিন্ত তাদের শেষ পরিনতি টা হয়তো বা আমাদের অনেকেটা জানা হয়ে গেছে,
রাস্তার পাশে পরে থাকা বেওয়ারিশ লাশ অথবা ঝুলন্ত ফ্যানের সাথে ঝুলে থাকা একটি নিথর দেহ।

রাজধানীর গুলশানে ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে আসছে নতুন সব তথ্য। মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের ওই তরুণীর পরিবার কুমিল্লায় থাকত। তবে তিনি থাকতেন ঢাকায়। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করতেন ঢাকার একটি কলেজে।

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী গুলশানের ১২০ নম্বর রোডের যে বাসায় ভাড়া থাকতেন, তার ভাড়া ছিল এক লাখ টাকা।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, বাসাটির বাড়িওয়ালার কাছ থেকে পাওয়া চুক্তিপত্র অনুযায়ী ফ্ল্যাটটি মার্চ মাসের ১ তারিখে ভাড়া নেন মুনিয়া। তিনি আরও জানান, চুক্তিপত্র অনুযায়ী অগ্রিম ২ লাখ টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে ওই বাসায় একাই থাকতেন কলেজছাত্রী।

সুদীপ আরও জানান, মুনিয়া কুমিল্লা শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমানের মেয়ে। তার পরিবার কুমিল্লায় থাকলেও মুনিয়া একাই ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন। দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় শিল্প গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে মোসারাত জাহানের পরিচয় ছিল। ওই ফ্ল্যাটে তার যাতায়াতের বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ আরও জানায়, শিল্পপতির ওই পরিবারের লোকজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের অভিযোগ করেছেন মুনিয়ার বড় বোন। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া একটি ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে মনোমালিন্য আরও ঘনীভূত হয়।

তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর সোমবার রাত দেড়টার দিকে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান। মামলা করে থানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

Leave a Comment