বরুড়ায় পল্লী বিদু্ৎ কতৃপক্ষের উদাসিনতায় গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড়

বরুড়া প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার বরুড়ায় পল্লী বিদু্ৎ অফিসের সামনে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। মানা হচ্ছনা সামাজিক দূরত্ব।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমতি -১ বরুড়া অফিসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চলছে সিমাহীন দূর্নিতী।
অফিসে বসেই মনগড়া মিটার রিডিং লেখা, অতপর চলমান বিলের চারগুণ বাড়িয়ে বিল বানানোর কারনে চরম ভোগান্তিতে গ্রাহকরা।

সোমবার বরুড়া পল্লী বিদু্ৎ অফিসে গিয়ে দেখা গেছে গ্রাহকেরা তাদের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অফিসে ভিড় করছেন।

যদিও সরকার ৩০ জুন পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব ফি মৌকুফ করার ঘোষণা দিয়েছে, তবুও বরুড়া পল্লী বিদ্যুৎ তা না মেনেই বিল আদায় করছে।

মহামারি করোনার ঝুঁকি নিয়ে গ্রাহকেরা তাদের বিদ্যুৎ বিল জমা দিচ্ছেন।

একাধীক গ্রাহক অভিযোগ করেন বরুড়া পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ আমাদের মিটারের কোনো রিডিং না নিয়েই তাদের মনগড়া বিল তৈরি করে আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। একদিকে খেটে খাওয়া মানুষের আয় রোজগার বন্ধ, তার উপর বরুড়া পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের চাপানো ভুতুড়ে বিলির চাপে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে।

এমন ভোগান্তিতর কথা গ্রাহকরা জানান, এক গ্রাগক বলেন, তার মার্চ মাসে খরচ হয়েছে ৪৫ ইউনিট, এপ্রিল মাসে ৬০ ইউনিট এবং মে মাসে মনগড়া লেখায় ২১৫ ইউনিট। গ্রাহক বলেন আমার ঘরে প্রতিমাসে বৈদ্যুতিক ব্যবহারিক প্রক্রিয়া সবসময় একই। সে ক্ষেত্রে গতমাসগুলোর তুলনায় চারগুন বেশি বিল হলো কি করে। অনেক গ্রাহকরাই এমন ভোগান্তির যন্ত্রণায় ভুগছে।

বরুড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মোঃ জালাল উদ্দীন বলেন, আমার গ্রাহকদেরকে বলেছি বিলের জরিমানা সরকার মৌকুফ করেছে। আপনারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সময় করে বিল পরিশোধ করুন।

গ্রাহকদের ভুতের বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

Leave a Comment