‘বিমানবন্দরে আটক ৮ স্যুটকেস মাস্ক-পিপিই যে কেউ ছাড়িয়ে নিন’

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকারের ৮টি স্যুটকেস ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ডা. ফেরদৌস তার ফেসবুক পেজে একটি ভিডিওবার্তায় একথা জানান।

ডা. ফেরদৌস তার ফেসবুক ভিডিওবার্তায় বলেন, প্রিয় দেশবাসী আপনারা কেমন আছেন। আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে বলছি। গতকাল বিকেলে এক বুক আশা নিয়ে দেশে এসেছিলাম আপনাদের পাশে দাঁড়াবো বলে। আসার পর বিমানবন্দরে বুঝতে পারলাম, কিছু দুষ্টু মানুষ আমার পিছনে লেগেছে। যেহেতু আমার নামের পিছনে খন্দকার আছে তাই তারা প্রচার করতে চেয়েছে আমি খন্দকার মোশতাকের আত্মীয়। তারা বলতে চেয়েছে আমি খুনি রশিদেরও আত্মীয়।

‘আমি আশা নিয়ে এসেছি এই ক্রান্তিকালে অপনাদের পাশে থাকবো। আপনারা আমাকে গ্রহণ করবেন তো? আমিও আছি আপনাদের সাথে। আমি ৮টি স্যুটকেস সাথে নিয়ে আসছিলাম। যার মধ্যে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধাদের দেবো বলে মাস্ক, গ্লাভস ও পিপিই ছিল। করোনা ক্রান্তিকালেও এগুলোর জন্য নাকি ট্যাক্স দিতে হবে বলে রেখেই দিল। আপনাদের কেউ যদি ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে পারেন, ছাড়িয়ে নিয়ে যান, ফ্রন্টলাইনের যে কাউকে দিয়ে দেবেন। আমার কোনো দাবি নেই। আপনাদের কাছে এটি আমার অনুরোধ, যে কোনো হাসপাতালে এগুলো দিয়ে দেবেন।

একই ভিডিওবার্তার ডা. ফেরদৌস তার বংশ পরিচয় সম্বন্ধে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ডা. ফেরদৌস রোববার (৭ জুন) বিকেল ৫টায় কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইটে আরও ১২৯ জনের সঙ্গে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বাংলাদেশের মানুষের করোনা চিকিৎসা দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে দেশে ফিরলে ডা. ফেরদৌস বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে তার পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে তাকে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের স্বজন বলে দাবি করেন।

অপরদিকে ডা. ফেরদৌস তাকে বঙ্গবন্ধুর খুনি দাবি করাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘প্রিয় বাংলাদেশ। দেশে এসেছিলাম নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে করোনা নিয়ে সবার পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করতে। তার জন্যে জীবনের ঝুঁকি নিতেও আমি পিছপা হইনি। তবে আমার বিরুদ্ধে কিছু দুষ্টু মানুষ যড়যন্ত্র করছে।

Leave a Comment