৪৯ বছরেও প্রাণ পায়নি বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজে


কামরুজ্জামান জনিঃ নানান সমস্যায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করতে হয় কুমিল্লার বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজে।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎকারীদের স্মরনে এ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আবদুল হাকিম। ১৯৮৫ সালে ততকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক নূরুল ইসলাম মিলনের হাত ধরে কলেজটি সরকারি করন করা হয়। পরে তিনি এমপি হওয়ার পর ২০১৭ সালে ৫ টি বিষয়ে অর্নাস কোর্স চালু হয়েছে। দূর্ভাগ্য জনক হলে ও সত্য কলেজটি অন্যান্য উপজেলার সদর কলেজ থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। নাই কোন পরিকল্পিত ভবন। নাই বড় ধরনের ছাত্রাবাস, নাই ছাত্রীদের থাকার কোন ব্যাবস্হা। ডিগ্রি চালু থাকলে ও অনেক বিষয় অনুমোদন নেই। উপজেল সদর হলেও নেই ডিগ্রি সেন্টার। নাই শিক্ষকদের থাকার ব্যাবস্হা। বর্ষা আসলে মাঠে হাটু সমান পানি জমে থাকে। এত সমস্যা নিয়ে চলছে বরুড়ার একমাত্র সরকারি কলেজে।
কলেজের সাবেক ছাত্র ও বরুড়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পদক মোঃ ইলিয়াছ আহমদ বলেন, যে পরিমাণ কলেজ টি এগিয়ে যাওয়ার কথা ততটুকু এগিয়ে যেতে পারেনি। বরুড়ার একজন নাগরিক হিসেবে আমি ব্যাতিথ। মাননীয় সংসদ সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল মহোদয়ের কাছে অনুরোধ করি কলেজের ভবন, ডিগ্রিতে বিষয় বাড়ানো, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যাবস্হা করা, মাঠের সংস্কার সহ নানাহ সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট হবেন। এটা বরুড়া বাসীর প্রানের দাবী। পাশে লালমাই কলেজ। কতটুকু এগিয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আমাদের বরুড়া অনেক অনেক বিষয়ে পিছিয়ে আছে। দয়া করে এমপি মহোদয় নজর দিবেন বলে বরুড়াবাসী আশা করে।

Leave a Comment