Shaikh Ahmadullah Lifestyle – শায়খ আহমাদুল্লাহর জীবনী

Shaikh Ahmadullah Lifestyle - শায়খ আহমাদুল্লাহর জীবনী
Shaikh Ahmadullah Lifestyle - শায়খ আহমাদুল্লাহর জীবনী

শায়খ আহমাদুল্লাহ– বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব। সুবিদিত ও বিদগ্ধ আলোচক। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের সীমান পেরিয়ে যে কজন বাঙালি আলেমের বিশ্বময় পরিচিতি ঘটেছে, শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁদের অন্যতম। বর্তমানে তিনি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মাঝে ইসলামী জ্ঞান পৌছে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছেন। এর আগে তিনি সৌদি আরবের পশ্চিম দাম্মাম ইসলামি সেন্টারের সম্মানিত দাঈ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। লেখালেখি, সভা-সেমিনারে লেকচার প্রদান করা, নানামুখি দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করা, উম্মুক্ত ইসলামি প্রোগ্রাম ও ইসলামি প্রশ্নোত্তরমূলক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করা এবং টিভি অনুষ্ঠানে সময় দেওয়াসহ বহুমুখি সেবামুলক কাজে জড়িত রয়েছেন গুণী এই আলেমেদ্বীন।

২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করার সুযোগ লাভ করেন তিনি। বিশেষ দক্ষতা ও যোগ্যতার কারণে ডাক পান মধ্যপ্রাচ্যে। যোগ দেন সৌদি আরবের পশ্চিম দাম্মাম ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টারে। দাঈ ও অনুবাদক হিসেবে সেখানে কাজ করেন দীর্ঘ ৯ বছর। সেখানে থাকাকালীন-ই আর্তমানবতার সেবায় এবং বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মাঝে ইসলামের জ্ঞান-অভিজ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার নিজেকে সম্পৃক্ত ও নিয়োজিত রেখেছিলেন। 

বিভিন্ন দাওয়াতি কার্যক্রমে ইতোমধ্যেই তিনি জাপান, ভারত ও আরব আমিরাত সফর করেছেন এবং একাধিক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

ইসলাম নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি লেখালেখিও করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে তার লেখা প্রকাশিত হয় প্রায় সময়। এছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে শতাধিক প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছেন। আরবিতেও প্রকাশিত হয়েছে তার বহু লেখাযোখা। শায়খ আহমাদুল্লাহ বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ভূমিপল্লী জামে মসজিদের খতিব। পাশাপাশি সেখানকার একটি মাদরাসা পরিচালনার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

Shaikh Ahmadullah Lifestyle - শায়খ আহমাদুল্লাহর জীবনী
Shaikh Ahmadullah Lifestyle – শায়খ আহমাদুল্লাহর জীবনী

Shaikh Ahmadullah Lifestyle – শায়খ আহমাদুল্লাহর জীবনী

জন্ম: শায়খ আহমাদুল্লাহ ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে লক্ষীপুর জেলার বশিকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  লক্ষ্মীপুরের বশিকপুর গ্রাম— যেটিকে ওলামায়ে কেরামের গ্রাম বলা হয়। বলা হয়ে থাকে- এখানের শুধু উমেদপুর বাড়িতেই দারুল উলুম দেওবন্দপড়ুয়া অনেক আলেম ছিলেন। তাঁর পিতা দেলোয়ার  হুসাইন

শিক্ষাজীবন: নোয়াখালী জেলার প্রধান শহর মাইজদির অদূরে হরিনারায়ণপুরে অবস্থিত দানাপুর মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক তিন জামাতে পড়াশোনা করেন। লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ বোয়ালিয়া মাদরাসায় উর্দুখানা পড়েন। ফয়জুল উলুম মাদরাসায় হাতিয়ার হুজুর (রহ.)-এর কাছে সরাসরি মিজান নাহবেমির পড়েন। হাতিয়ায় ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী ভয়াবহ বন্যা কারনে হাটহাজারি মাদরাসায় চলে যান। সেখানে যতদিন ছিলেন- হাফেজ মুফতি শহিদুল্লাহ সাহেব (রহ.)সাহেবের খাদেম হিসেবে ছিলেন। হাটহাজারি মাদরাসা থেকে চলে যান যশোরের দড়াটানা মাদরাসায়। সেখান থেকে বেফাক বোর্ডের শরহে বেকায়া বা সানুবিয়াহ (HSC) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১০ম স্ট্যান্ড মিশকাতে ৩য় স্ট্যান্ড, দাওরায়ও (মাস্টার্স) ২য় স্ট্যান্ড করেন। খুলনা দারুল উলুম থেকে ইফতা বা মুফতি কোর্স কমপ্লিট করেন। 

গবেষণা:  শায়খ আহমাদুল্লাহ কোরআন ও হাদিসের উপর প্রতিনিয়ত গবেষণা করে সে আলোকে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও প্রকাশ করছেন।  এপর্যন্ত ১০০ এর অধিক গবেষণালব্ধ আর্টিকেল  প্রকাশ করেছেন।  যার মধ্যে ১৫ এর অধিক বাংলা এবং আরবিতে প্রকাশ হয়েছে। 

স্বপ্ন:  কুরআন ও সুন্নাহর আলো সুন্দর উপায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সত্যমিথ্যার চক্রে বিভ্রান্ত হওয়া থেকে মানবতাকে মুক্ত করার জন্য সত্য, সুন্দর ও শক্তিমান যুগোপযোগী মিডিয়ার বিশাল জগত গড়ে উঠবে- এটা শায়খ আহমাদুল্লাহ এর স্বপ্ন।

জনপ্রিয়তা: খুব অল্প সময়ে সুললিত কণ্ঠে কুরআন-হাদিসের সহজ-সাবলীল আলোচনা করে অসংখ্য মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। তার গবেষণাধর্মী আলোচনার কারণে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি বাংলা ও আরবি ভাষায় খুবই দক্ষ। যে কারণে বিভিন্ন দেশের মানুষ তার আলোচনা বুঝতে পারে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন:আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। শিক্ষা, সেবা ও দাওয়াহ—তিন বিভাগে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শায়খ আহমাদুল্লাহ এর পরিকল্পনাঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবনাদর্শের আলোকে(ক) দেশজুড়ে, বিশেষত সমাজের তুলনামূলক উপেক্ষিত অংশে প্রাতিষ্ঠানিক ও উপ-প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ইসলামী ও সাধারণ শিক্ষা-দীক্ষা ও কর্মমুখী বৈষয়িক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ, (খ) আর্তমানবতার সেবা এবং (গ) সৎকাজে উৎসাহ দান ও অসৎকাজ নিবারণে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য।

কুরআন সুন্নাহকে জীবনে লালন করা এ ব্যাক্তিটির কাছে তার স্বপ্ন সম্বন্ধে জানতে চাইলে জানা যায় ; কুরআন সুন্নাহর আলোকে সুন্দর উপায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সত্যমিথ্যার চক্র থেকে মানবতাকে মুক্ত করার জন্য সত্য, সুন্দর ও শক্তিশালী যুগোপযোগী মিডিয়ার জগত গড়ে তোলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করা।

শায়খ আহমাদুল্লাহর বই সমূহ:

শায়খ আহমাদুল্লাহ’র তিনটি বই একত্রে প্রকাশিত হয়েছে।

১. রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সকাল সন্ধ্যার দু’আ ও যিকর এবং দোয়ার কার্ড

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সকাল সন্ধ্যার দু’আ ও যিকর এবং দোয়ার কার্ড বইটির ভুমিকা:

মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে রাসূলুল্লাহ -এর সকাল-সন্ধ্যার দুআ ও যিকর পুস্তিকাটির অষ্টম সংস্করণ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, আলহামদু লিল্লাহ। এই পুস্তিকায় বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত সকাল-সন্ধ্যার বিভিন্ন দু’আ ও যির সংকলনের চেষ্টা করেছি। কিছু কিছু দু’আ বা যিকর ব্যাপকভাবে পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও গ্রহণযােগ্যতা নিয়ে মুহাদ্দিসগণের বিস্তর আপত্তি থাকায় সেগুলাে এখানে আনা হয়নি। যেসব দু’আর বিশুদ্ধতা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে, সেসবের মধ্যে শুদ্ধতার পাল্লা ভারি অথবা মােটামুটি গ্রহণযােগ্য- এমন কিছু দু’আ এখানে উল্লেখ করেছি। কোন ভাষার যথার্থ উচ্চারণ অন্য ভাষার অক্ষর দিয়ে সম্ভব নয়; বরং সেক্ষেত্রে বিকৃতির আশংকাই বেশি থাকে। যাদের সরাসরি আরবী পড়তে কষ্ট হয় তাদের নিছক সহায়তার জন্য বাংলা উচ্চারণ দিয়েছি। সুতরাং বাংলা উচ্চারণের ওপর নির্ভর না করে মূল আরবী উচ্চারণ শিখে নেওয়ার অনুরােধ থাকল। আরবী বর্ণ ৫ এবং বুঝানাের জন্য উর্ধ্ব কমা (*) এবং মাদ বােঝানাের জন্য (-) ব্যবহার করা হয়েছে। মাসনুন দুআ ও যিকরের ক্ষেত্রে অনেক সময় বর্ণনাভেদে দুয়েকটি শব্দ বা বাক্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়; যদিও মূলভাষ্য প্রায় একই থাকে। সুতরাং এক সংকলনের সাথে অন্য সংকলনের সামান্য ভিন্নতায় | কোনটিকে ভুল মনে করা আবশ্যক নয়। আমি প্রতিটি দু’আ মূলগ্রন্থ থেকে নির্বাচন করেছি। তারপরও কোন ভুল-ব্যত্যয় আমাদের গােচরে আনলে পরবর্তী সংস্করণে সংশােধন করে নেবাে ইনশা-আল্লাহ। টীকার ক্ষেত্রে শামেলা’ বলতে ‘মাকতাবায়ে শামেলা’ বােঝানাে হয়েছে। আর ই.ফা. বলতে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ বােঝানাে হয়েছে। আর যেখানে কোন কিছু উল্লেখ নেই সেখানে শামেলা’ উদ্দেশ্য। মহান আল্লাহ আমাদের সবার সব ভালাে প্রচেষ্টা কবুল করুন। আমিন।
আহমাদুল্লাহ

২. সীরাত স্মারক-২০২১


সীরাত স্মারক-২০২১ বইটির প্রসঙ্গে কিছু কথা:

সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার, দরূদ ও সালাম মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (আলায়াঃ এর প্রতি, শান্তি বর্ষিত হােক তার পরিজন, সাহাবা কিরাম ও সকল মুমিনের প্রতি ।
সীরাতপাঠ ও প্রতিযােগিতা ২০২০ ছিল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এ যাবৎকালের সবচেয়ে মহৎ ও সবচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য কাজগুলাের একটি। এরচেয়ে ব্যবয়বহুল অনেক কাজ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ইতােমধ্যে আঞ্জাম দিয়েছে, কিন্তু এরচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য কাজ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আর সম্পন্ন করে নি। তারপরও আল্লাহর রহমত ও তাওফীকে এটি সুসম্পন্ন করতে পেরেছি। সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার।
শেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) পৃথিবীর ২০০ কোটি মুসলমানের সবচেয়ে প্রিয়ভাজন ব্যক্তিত্ব। এটি জেনেও তথাকথিত সভ্য বিশ্বের একটি দেশ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুপরিকল্পিতভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে মহত্ত্বর ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছিল, তার ব্যাঙ্গচিত্র অঙ্কন ও প্রদর্শন করছিল। কথিত সভ্যরাষ্ট্র ফ্রান্সের এহেন জাতিঘৃণামূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সকল মুসলমান যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করেছে। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনও পৃথিবীর সকল মুসলমানের সঙ্গে একাত্ম হয়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছে। তবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন প্রতিবাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ও অনন্য রকম কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যেন প্রতিবাদটা কয়েকদিন পরই ইস্যুর স্রোতে হারিয়ে না যায়; যাতে প্রতিবাদের চেতনা মুমিন-হৃদয়ে স্থায়ীভাবে জাগরূক থাকে। সেটি সীরাতপাঠ ও প্রতিযােগিতা ২০২০। যার বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র, যার আদর্শ বিলীন করার এত অপচেষ্টাতার শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের সামর্থানুযায়ী অধিক সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়াই ছিল এই আয়ােজনের উদ্দেশ্য। আলহামদু লিল্লাহ এই কর্মসূচির আওতায় আমরা ৩০ হাজার মানুষের কাছে সীরাতগ্রন্থ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। প্রতিযােগিতায় ৪০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। তাদের অংশগ্রহণও এই কর্মসূচির প্রত্যক্ষ প্রভাব। পরােক্ষভাবে আরাে কত সংখ্যক মানুষ এতে প্রভাবিত হয়েছেন, আমাদের কাছে এর সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে ভালােবাসে না, এমন মুমিন পাওয়া যাবে না। কারণ তাঁকে ভালাে না বেসে তাে মুমিনই হওয়া যায় না। তা সত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ (এয়াইএর পূণাঙ্গ জীবনী আদ্যন্ত একবার পাঠ করেছেন, এমন মানুষের সংখ্যা নিঃসন্দেহে। হাতেগােনা। সীরাতপাঠ ও প্রতিযােগিতা ২০২০-এর আওতায় এই সংখ্যাটা আমরা সামান্য হলেও বাড়াতে পেরেছি বলেই আমাদের ধারণা। আমাদের আহ্বানে নারী-পুরুষ ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার এত মানুষ সাড়া দিয়েছেন, তা ছিল আমাদের কল্পনারও বাইরে। এত মানুষের অংশগ্রণের একমাত্র কারণ রাসূল (এলআই-এর প্রতি ভালােবাসা। আমরা শুধু মানুষের ভালােবাসাকে উপজীব্য করে একটি মহৎকর্ম সম্পন্ন করেছি। আমরা শুধু এটুকুই করেছি। আল্লাহ তাওফীক না দিলে কাজটি আমরা করতে পারতাম না। এজন্য আমরা মহান আল্লাহর তা’আলার নিকট যার-পরই নেই কৃতিত্ব।
সীরাতপাঠ ও প্রতিযােগিতা ২০২০-এর একটি পর্বে ছিল রচনা প্রতিযােগিতা। আমরা কথা দিয়েছিলাম, প্রতিযােগীদের নির্বাচিত রচনা দিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করব। আলহামদু লিল্লাহ সেটি আপনাদের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা মনে করি, স্মারকগ্রন্থটি পড়লে রাসূলুল্লাহ (লগ-এর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন।
যারা সীরাতপাঠ ও প্রতিযােগিতায় অংশ নিয়েছেন, স্মারকগন্থ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সাহায্য-সহযােগিতা করেছেন, অন্তত উৎসাহ দিয়ে পাশে থেকেছেন’তাদের কারাে নাম উল্লেখ করে খাটো করতে চাইছি না। তাদের সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আল্লাহ সবার কল্যাণ করুন।

৩.রামাদ্বান প্ল্যানার

এই প্লানারে রয়েছে রামাদ্বান মাসব্যাপী আত্মশুদ্ধি পূর্ণ পরিকল্পনা। প্ল্যানারটির উল্লেখযোগ্য কিছু অংশ হলো দিনের আয়াত, দিনের হাদিস, দিনের দুআ, দৈনিক চেকলিস্ট। এছাড়াও রয়েছে আল্লাহর গুণবাচক নাম ও প্রতিদিনের কাজ। ফলে পাঠক খুব সহজেই প্রতিদিন একটি করে কুরআনের আয়াত, একটি হাদিস এবং একটি করে দুআ মুখস্ত করতে পারবেন। কোন কাজটা কখন করবেন, পাঠক তার সময়ানুযায়ী খুব সহজেই তা ভাগ করে নিতে পারবেন। এছাড়া এতে রয়েছে সালাত ট্র্যাকার, কুরআন ট্র্যাকার, প্রতিদিনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিসমূহ ট্রাক করার সুযোগ সহ আরও অনেক কিছু।